
ডেস্ক রিপোর্ট
কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়িতে তিন দিনব্যাপী স্মরণোৎসব শেষে আজ সকাল থেকেই নিজ ঠিকানায় ফিরতে শুরু করেছেন হাজারো ভক্ত ও দর্শনার্থী।
মেলার আনুষ্ঠানিকতা সমাপ্ত হওয়ার পর বুধবার সকাল থেকে কুষ্টিয়া রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকায় ঘরমুখী মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
সকালে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া নকশিকাঁথা কমিউটারসহ বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেনে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না, যা সাধারণ যাত্রীদের চলাচলেও কিছুটা প্রভাব ফেলেছে।
প্রতিবছর এই আধ্যাত্মিক টানে দেশের নানা প্রান্ত থেকে সাধু-গুরু ও বাউলপ্রেমীরা ছেঁউড়িয়ায় সমবেত হন এবং উৎসব শেষে একযোগে প্রস্থান করায় বরাবরই রেলপথে অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি হয়।
যাত্রীদের এই বাড়তি চাপ সফলভাবে সামাল দিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।