
ডেস্ক নিউজঃ
কুষ্টিয়ার কুমারখালী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালুর দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় জনগণ। পরে জেলা প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণির মানুষ স্টেশন মাস্টারের কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নেন। এ সময় স্টেশন এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।
আন্দোলনকারীরা খুলনা-ঢাকা রুটে চলাচলকারী বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের কুমারখালী স্টেশনে যাত্রাবিরতির দাবি জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন অবস্থান কর্মসূচির আয়োজক ও গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াস, জামায়াতে ইসলামী কুমারখালী উপজেলা শাখার নায়েবে আমির শামসুদ্দিন আহমাদ, কুমারখালী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম জিলাল এবং কুমারখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার লিপু আমিরসহ আরও অনেকে।
প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচির পর কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা আগামী ২৭ জুনের মধ্যে কুমারখালী স্টেশনে অন্তত একটি আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালুর আশ্বাস দেন।
পরে গণঅধিকার পরিষদের নেতা শাকিল আহমেদ তিয়াস কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
শামসুদ্দিন আহমাদ বলেন, কুমারখালী স্টেশনে বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস—এই দুইটি ট্রেনের স্টপেজ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় আন্দোলন আরও জোরালো করা হবে।