
নিজস্ব প্রতিবেদক | স্পোর্টস ডেস্ক
২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হওয়া পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ফিফার নতুন উইন্ডোতেও প্রত্যাশিত ছন্দে ফিরতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম প্রীতি ম্যাচে প্রায় হারতে বসা দলটি শেষ মুহূর্তের গোলে কোনোমতে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। তবে দলের এমন বিবর্ণ পারফরম্যান্সের পরও সমর্থকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তাঁর মতে, এটি কোনো নতুন চক্রের শুরু নয়, বরং গত বছর শুরু হওয়া প্রক্রিয়ারই একটি ধারাবাহিকতা।
ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) এই উইন্ডোতে তরুণ খেলোয়াড়দের পরখ করে দেখার কথা বললেও আনচেলত্তি স্পষ্ট করেছেন, তাঁর মূল লক্ষ্য ২০২৫ সালের জুনে শুরু হওয়া কাজকে সামনে এগিয়ে নেওয়া। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ৭ জন বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলারকে মূল একাদশে রেখেও ব্রাজিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে ব্যর্থ হয়। নরওয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ব্রাজিলের মাঝমাঠের দুর্বলতা প্রকট হয়ে ওঠে। বল দখলে রাখা ও আক্রমণ গড়ার সময় দানিলো সান্তোস এবং ব্রুনো গুইমারেসের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যার ফলে রক্ষণ ও আক্রমণের মাঝে বিশাল ফাঁকা জায়গা তৈরি হয় এবং ম্যাচটি অনেকটা নিয়ন্ত্রণহীন রূপ নেয়।
ম্যাচ শেষে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কার্লো আনচেলত্তি বলেন, ‘ম্যাচ ড্র হলেও এটিকে হার হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। আমাদের জেতার সুযোগ ছিল। গোল হজম করার পর দল দারুণ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত আমরা ড্রয়ের যোগ্য ছিলাম। আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে, কারণ এগুলো আমাদের চলমান পরীক্ষারই অংশ। যারা দলে কম সুযোগ পায়, তাদের এখন পরখ করে দেখার সময়।’
তরুণদের সুযোগ দেওয়া প্রসঙ্গে ব্রাজিল কোচ আরও বলেন, ‘এটি নতুন কোনো চক্রের শুরু নয়। এখন অগ্রাধিকার হলো এন্ড্রিক ও এস্তেভাওয়ের মতো সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া। আমরা সেই পথেই এগোচ্ছি। সমর্থকদের ধৈর্য ধরতে হবে। আমি কথা দিচ্ছি, যখন আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা শুরু হবে, তখন দল সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে।’