1. admin@rupalikantho.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমারখালীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস পরিচালনার আলোচনা: বাঁচবে ৩ ঘণ্টা সময়, কমবে ভাড়াও কয়া ইউনিয়নে তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে বিশাল সমাবেশ সম্পন্ন: অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার শপথ খোকসায় জুমার খুতবায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি আফজাল হোসেনের কুমারখালীর শিলাইদহে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগুলাটে বিভেদ ভুলে ঐক্যের বার্তা, কর্মী সমাবেশে এমপি আফজাল হোসেন খোকসার বিলজানী বাজারে এমপি আফজাল হোসেনের গণসংযোগ ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত ছেঁউড়িয়ায় লালন মেলা সমাপ্ত: ঘরে ফেরা মানুষের চাপে কুষ্টিয়ার ট্রেনে উপচে পড়া ভিড় তৃণমূলের দোরগোড়ায় সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন, শুনলেন সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ লালনের মানবতার বাণীতে মুখর ছেউড়িয়া, আজ পর্দা নামছে স্মরণোৎসবের

কাপ্তাই হ্রদের পানি কমতেই দৃশ্যমান ঝুলন্ত সেতু

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭৭ বার পঠিত

নিউজ ডেস্কঃ 

টানা ছয়দিন কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবে থাকার পর অবশেষে দৃশ্যমান হয়েছে রাঙামাটির অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতু। শুক্রবার বিকেলের দিকে সেতু এলাকা থেকে পানি সরে যাওয়ার পর শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ম্যানেজার আলোক বিকাশ চাকমা।

তিনি জানান, পানি সরে যাওয়ার পর বর্তমানে সেতুটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও মেরামতের কাজ চলছে। এ কারণে আপাতত পর্যটকদের কাছ থেকে সেতুতে প্রবেশ বা চলাচলের জন্য কোনো টিকিটের মূল্য নেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের নোটিশ পাওয়ার পর নিয়মিতভাবে টিকিট বিক্রি শুরু হবে।

এর আগে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গত ২৯ আগস্ট কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বেড়ে যায়। এতে রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলসহ বেশ কিছু এলাকা পানিতে প্লাবিত হয়। একই সঙ্গে পানির নিচে তলিয়ে যায় পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় ঝুলন্ত সেতুটিও। নিরাপত্তাজনিত কারণে ওই দিন দুপুর থেকেই সেতুতে পর্যটকদের প্রবেশ ও চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত কমানোর লক্ষ্যে ২৯ আগস্ট রাতে কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের গেট খুলে কর্ণফুলী নদীতে পানি ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। পরদিন ৩০ আগস্ট সকাল থেকে আরও বেশি পরিমাণ পানি নিষ্কাশন করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, হ্রদ থেকে পানি ছাড়ার কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।

রাঙামাটি সদর উপজেলার তবলছড়ি এলাকায় পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে ১৯৮৬ সালে নির্মিত হয় ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ এই ঝুলন্ত সেতু। দুই পাহাড়ের মাঝখানে দুটি পিলারের ওপর নির্মিত সেতুটি রাঙামাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম প্রতীক হয়ে উঠেছে। জল ও স্থল—দুই পথেই সেতু এলাকায় যাতায়াতের সুযোগ রয়েছে।

নির্মাণের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকদের কাছে সেতুটি রাঙামাটির অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত। সময়ের সঙ্গে এটি ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’ নামেও ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক রুপালী কণ্ঠ
Theme Customized By Shakil IT Park