1. admin@rupalikantho.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমারখালীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস পরিচালনার আলোচনা: বাঁচবে ৩ ঘণ্টা সময়, কমবে ভাড়াও কয়া ইউনিয়নে তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে বিশাল সমাবেশ সম্পন্ন: অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার শপথ খোকসায় জুমার খুতবায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি আফজাল হোসেনের কুমারখালীর শিলাইদহে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগুলাটে বিভেদ ভুলে ঐক্যের বার্তা, কর্মী সমাবেশে এমপি আফজাল হোসেন খোকসার বিলজানী বাজারে এমপি আফজাল হোসেনের গণসংযোগ ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত ছেঁউড়িয়ায় লালন মেলা সমাপ্ত: ঘরে ফেরা মানুষের চাপে কুষ্টিয়ার ট্রেনে উপচে পড়া ভিড় তৃণমূলের দোরগোড়ায় সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন, শুনলেন সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ লালনের মানবতার বাণীতে মুখর ছেউড়িয়া, আজ পর্দা নামছে স্মরণোৎসবের

হাজার বছরের গৌরব: বাংলা সাহিত্যের বিবর্তন ও আধুনিকতার মেলবন্ধন

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদন (সাহিত্য)

বাংলা সাহিত্য কেবল বাঙালির আবেগ ও মননের প্রতিফলন নয়, এটি হাজার বছরের এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের ধারক। চর্যাপদের যুগে যে সাহিত্যের সূচনা হয়েছিল, আজ তা বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ও মর্যাদাপূর্ণ সাহিত্যের একটি। যুগে যুগে কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকারদের সৃজনশীলতায় বাংলা সাহিত্য ক্রমাগত নতুন রূপ ও মাত্রা পেয়েছে।

বাংলা সাহিত্যের ভিত্তি মূলত রচিত হয়েছিল আধ্যাত্মিকতা, লোকজ জীবন ও ধর্মের ওপর নির্ভর করে। দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত ‘চর্যাপদ’ হলো বাংলা ভাষার প্রথম ও প্রাচীনতম নিদর্শন। এরপর মধ্যযুগে দেব-দেবীর আখ্যান নিয়ে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, মঙ্গলকাব্য এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত বৈষ্ণব পদাবলি বাংলা সাহিত্যকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।

উনিশ শতকে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাবে বাংলা সাহিত্যে গদ্যের উদ্ভব হয় এবং আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে বাংলা গদ্য সাহিত্য পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। এরপর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল জয় বাংলা সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক দরবারে মর্যাদার আসনে বসায়। অন্যদিকে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক ভাবনা সাহিত্যে নতুন গতির সঞ্চার করে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং জীবনানন্দ দাশের কবিতায় সাধারণ মানুষ ও বাংলার রূপ-প্রকৃতির নিখুঁত চিত্রায়ণ দেখা যায়।

বর্তমান যুগে বাংলা সাহিত্য নির্দিষ্ট কোনো গণ্ডিতে আবদ্ধ নেই। বিশ্বায়নের প্রভাবে এতে এসেছে ব্যাপক বৈচিত্র্য। হুমায়ূন আহমেদের সাবলীল গদ্য ও চরিত্র নির্মাণ তরুণ প্রজন্মকে দারুণভাবে বইমুখী করেছে। বর্তমানে রহস্য-রোমাঞ্চ (থ্রিলার), সায়েন্স ফিকশন এবং ফ্যান্টাসি সাহিত্য নতুন প্রজন্মের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। সেই সঙ্গে ই-বুক, অডিও বুক এবং ওয়েব প্ল্যাটফর্মগুলো সাহিত্যের প্রসারে ভূমিকা রাখছে এবং নতুন লেখকদের জন্য সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।

বাংলা সাহিত্যের এই দীর্ঘ যাত্রায় প্রাচীন ক্লাসিক থেকে শুরু করে সমকালীন ফিকশন—সবকিছুরই রয়েছে আলাদা আবেদন। সাহিত্যের এতগুলো যুগ ও ধারার মধ্যে আপনার সবচেয়ে প্রিয় লেখক বা সাহিত্যের নির্দিষ্ট কোনো জনরা (যেমন: থ্রিলার, কবিতা, নাকি ক্লাসিক উপন্যাস)

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক রুপালী কণ্ঠ
Theme Customized By Shakil IT Park